৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৯৫৬৭১৩০, ফ্যাক্স : ০২-৭১৬১০৮০

নির্বাচন বর্জনের দাবিতে গণসংযোগ ও প্রচার মিছিল

নির্বাচন বর্জনের দাবিতে গণসংযোগ ও প্রচার মিছিল

সরকার দলীয় মন্ত্রী এমপিদের অবৈধ সম্পদ
রক্ষার জন্যই সরকার যেনতেন নির্বাচন
দিয়ে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করছে
-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়ামের সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আশরাফ আলী আকন বলেছেন, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া হয়ে উঠছে। বর্তমানে প্রহসনের নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীদের আয় বেড়েছে ১০০ থেকে এক হাজার গুণ পর্যন্ত। এই অবৈধ সম্পদ রক্ষায় তারা যেনতেন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করছে। ধোকাবাজির নির্বাচন দিয়ে দেশের সম্পদ নষ্ট করছে। প্রহসনের নির্বাচন বর্জনের করার জন্য দেশবাসী প্রস্তুত। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা বারবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) বলেছি এই একতরফা নির্বাচন থেকে সরে আসার কথা বলে আসছি। কিন্তু তিনি অধিকাংশ বিরোধী দলের মতামতের তোয়াক্কা করেনি, কথা শোনেননি; বরং তিনি একদলীয় নির্বাচনের আয়োজন করে দেশকে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছেন।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর পল্টন, দৈনিকবাংলা, বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচন বর্জনের লক্ষ্যে গণসংযোগকালে অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুফতী মানসুর আহমদ সাকী, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মাওলানা নাযির আহমদ শিবলী, হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রধানিয়া।

অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, সরকার ধোকাবাজির নির্বাচন করছে। নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববাসী ধিক্কার জানাচ্ছে। নৌকার প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ডামি প্রার্থী সবই আওয়ামী লীগ। এভাবে ডামি নির্বাচন দিয়ে বিশ্ববাসীকে সরকার ধোকা দিচ্ছে। নির্বাচন নির্বাচন খেলা বন্ধ করুন। দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, অধিকাংশ মানুষ সরকারের প্রহসনের নিবৃাচন মানে না, তারার ই নির্বাচন চায় না। আমরাও এই প্রহসনের নির্বাচন চাই না। আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূল নির্বাচন চাই। যে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হবে, মানুষ ভাত ও ভোটের অধিকার ফিরে পাবে।

তিনি বলেন, পীর সাহেব চরমোনাই দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই পাতানো নির্বাচনে কোনভাবে সহযোগিতা করা যাবে না। তাই এই নির্বাচনে কোন ভোটার ভোট দিতে যাবে না, ভোট দিবে না।

উল্লেখ্য যে, একতরফা পাতানোর নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ২৭-৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণসংযোগ ও নির্বাচন বর্জনের দাবিতে প্রচারণা ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এ

কতরফা প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও অবৈধ পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার দাবিতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ রবিবার মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। এ সময় দলটির নেতা-কর্মীরা ‘একতরফা নির্বাচন’, ‘সাজানো নাটক’, ‘ডামি নির্বাচন’ লেখা কিছু ফেস্টুন প্রদর্শন ও বহন করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আজও লুটেরারা যেমন জনগণের অধিকার হরণ ও ব্যাংক লুটপাট করে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছে, তেমনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময়ও তাদের ক্লাবে ক্লাবে আনন্দ করতে দেখা গেছে। সে সময় মানুষ আর কুকুর খাবার নিয়ে ডাস্টবিনে কাড়াকাড়ি করেছে।

কর্মসূচি : ২৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে গণসংযোগ শুরু হবে।

শেয়ার করুন

অন্যান্য কর্মসূচি

Scroll to Top

সদস্য ফরম

নিচের ফরমটি পূরণ করে প্রাথমিক সদস্য হোন

small_c_popup.png

প্রশ্ন করার জন্য নিচের ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন